সুস্থ্য, মেধাবী ও উন্নত জাতি গঠনে ভেটেরিনারিয়ান

বাংলাদেশ এক সময় ক্ষুধা ও দারিদ্রের দেশ ছিল। পৃথিবীর উন্নত দেশের মানুষ ভাবতো এতো ছোট একটা দেশ আর এতো এতো মানুষকে কিভাবে খাওয়াবে? স্বাধীনতার পর শুরু হলো আমাদের কৃ্ষিবিদ বিজ্ঞানীদের নিরলস গবেষনা কি করে অল্প জমিতে অধিক ফলনশীল ধানের জাত রোপন করা যায়? অধিক ফসল ফলানো যায়। সফল হলেন। ভাতের অভাব দুর হয়েছে অনেক আগেই । তারপর ভাবনায় এলো শুধু ভাত খেয়ে তো আর উন্নত মেধা সম্পন্ন জাতি গঠন সম্ভব নয়। দরকার আদর্শ খাবার। আদর্শ খাবার কি? দুধ, ডিম, মাছ, মাংস। আমরা ছোট কালে দেখেছি মানুষ শুধু পেটে খেয়ে সারাদিন কাজ করে দিতো। এর পর সারাদিন কাজ করে ১ কেজি চাল কেনার টাকা হতো। সেটা দিয়ে তার পরিবারের খাদ্যের যোগান হতো ঠিকই কিন্তু দুধ, ডিম, মাংস মাসে একবারও চোখে পড়তো না। ফলে শিশুদের চেহারা এমন- কারও পেট বড়, কারও চোখ গর্তে, বেটে, মাথা বড়, পা চিকন, বিকলাঙ্গ, অন্ধ, কানা, খোঁড়া ইত্যাদি রকমের। আর মার্তৃ মৃত্যু, শিশু মৃত্যুহার ছিল নিয়মিত। তাই প্রয়োজন হলো উন্নত খাদ্যের। এখন উন্নত খাদ্য কি? উন্নত খাদ্য নিশ্চয় ভাত/রুটি নয়। উন্নত খাদ্য হলো আমিষ। আমিষ ছাড়া কোন প্রাণির সৃষ্টি সম্ভব নয় বেঁচে থাকা তো দূরের কথা। এই আমিষের প্রধান উৎস হলো প্রাণি। হ্যা উদ্ভিদ উৎসও আছে কিন্তু সারা পৃথিবী জুড়েই আমিষের প্রধান উৎস হলো প্রাণি ও মৎস্য। মৎস্যও এক ধরনের প্রাণি। পাখীও একধরনের প্রাণি এবং মুরগিও প্রাণি। সুতরাং প্রাণিজ আমিষের প্রয়োজন মিটাতে শুরু হলো মাছ চাষ, গরু ছাগল পালন, মুরগি পালন। আজকে আমরা দুধ বাদ দিলে সব কিছুতেই উৎপাদনে লক্ষমাত্রা অর্জিত হয়েছে বলে আমি মনে করি। দুধেও আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই লক্ষ্যে পৌঁছে যাবো আশা করি। এর পেছনের সবচেয়ে যাদের বেশি অবদান তারা হলেন ভেটেরিনারিয়ান। আজকে আমাদের শিশু ও মায়েদের দিকে তাকালেই আমরা বুঝতে পারি বাঙালী জাতি আজকে উন্নত দেশে প্রবেশের অপেক্ষায়।

আমাদের ভাতের প্রয়োজন ছিল, ভাতের ব্যবস্থা হয়েছে। আমাদের আমিষের প্রয়োজন ছিল, আমিষের ব্যবস্থা হয়েছে। এখন আমাদের সময় এসেছে নিরাপদ খাদ্য তৈরীর। কেন এই নিরাপদ খাদ্য? তাহলে কি আমরা এতো দিন নিরাপদ খাদ্য তৈরী করিনি? করেছি কিন্তু উন্নত বিশ্বের মতো নয়। আজকে আমাদের নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে উন্নত দেশের মতো বিদেশে প্রাণিজ আমিষ রপ্তানি করতে চাই।

এখানে বলে রাখা ভাল যে, একটা দেশ যখন গরিব থাকে, তখন সরকার তার আইন কানুন যথাযথ প্রয়োগ না করে একটু শিথিল করে দেয় যাতে করে সবাই কাজে লেগে যায় এই সেক্টরের উন্নয়নে। এই সু্যোগ নিয়েই আমরা আজকে উন্নয়নশীল দেশে পা বাড়িয়েছি। তার মানে এই না যে সরকার উদাসিন। তার মানে এই না ভেটেরিনারিয়ানরা উদাসিন।

এখন নিরাপদ খাদ্যের কথায় আসি। নিরাপদ খাদ্য বলতে মানুষের জীবন ধারনের জন্য প্রয়োজনীয় যে খাদ্য তা নিরাপদ রাখা। আর এটাই এই সময়ে সারা বিশ্বব্যাপী গন মানুষের দাবি। কেন এখন এই নিরাপদ খাদ্য দরকার?

মানুষ সহ সকল প্রাণির দেহে যতো প্রকার রোগ বালাই আছে তার প্রায় ৮০% দেহে প্রবেশ করে খাদ্যের মাধ্যমে। কাজেই এই খাদ্য যদি নিরাপদ না থাকে তাহলে সারা দুনিয়ার চিকিৎসক একত্রিত করে চিকিৎসা দিলেও কোন কাজ হবে না। সাময়িক সুস্থ্য হয়ে আবার অসুস্থ্য হয়ে পড়তে হবে।
এই খাদ্য নিরাপদ বলতে এখন আর ভাত নিরাপদ বুঝায় না। কারন মানুষ এখন ভাত খুব কমই খায়। মানুষ এখন খাদ্য তালিকায় দুধ,ডিম, মাছ, মাংস ও সব্জীকেই প্রাধান্য দেয়। আর শিশুদের তো দুধ,ডিম,মাংস ছাড়া একদিনও চলে না। রুগীর খাদ্য তালিকায় এই গুলিই ঘুরে ফিরে থাকে। তাহলে আমাদের কোন জায়গাটাতে সবচেয়ে বেশি নজর দেয়া উচিত? নিরাপদ প্রাণিসম্পদ গড়ে তোলার প্রতিই নজর দেয়া উচিত।

এখন এই নিরাপদ প্রাণিসম্পদ গড়ে কে তুলবে? ব্যবসায়ীরা নাকি সরকার? আপনাদের কার কি উত্তর আমার জানা নাই, তবে আমার মতে এটা সরকারের উপরেই বেশি দায়িত্ব। ব্যবসায়ীরা তাদের মুনাফার দিকটা প্রাধান্য দিয়েই কিন্তু তাদের পলিসি ঠিক করবে, এটা তাদের দোষ না, গুণ বলাই যুক্তি যুক্ত। সরকার এখানে দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে কোনটা ভাল সেটাই ঠিক করে দেবে। এই ব্যপারে সরকার বিভিন্ন সংস্থা, বৈজ্ঞানিক, ব্যবসায়ীদের সাথে মত বিনিময় করে সঠিক কার্য্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

আমি এতক্ষন ধরে যা বলেছি তা বাংলাদেশের প্রায় সকল মানুষেরই কম বেশি জানা। যে বিষয়টা সাধারন মানুষ এবং সরকারের নীতি নির্ধারকরা খুব কমই জানেন কিংবা বুঝতে চান না কিংবা এড়িয়ে চলেন তা হলো প্রাণি স্বাস্থ্য উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলের অভাব। আমরা যদি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের অন্যান্য অধিদপ্তরের দিকে তাকাই তাদের জনবল ৪/৫ গুণ বেড়েছে আর যে মন্ত্রনালয় ছাড়া দেশের ১৭ কোটি মানুষের জীবন মান, মেধা, স্বাস্থ্যের উন্নয়ন সম্ভব হয়নি সেই মন্ত্রনালয়ের অধিদপ্তরগুলোতে জনবল তো বাড়েইনি বরং কমেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কথা যদি বলি প্রতিটা ইউনিয়নে একজন করে এমবিবিএস দিয়েছেন যদিও তারা সেখানে থাকেন না। প্রতিটি উপজেলায় হাসপাতাল, ক্লিনিক সহ এমবিবিএস এ ভরপুর। আমি এমবিবিএসদের কখনও ছোট করে কথা বলছি না, এটা দরকার আছে। এর চেয়েও বেশী দরকার প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে ভেটিরিনারিয়ান। আমাদের দূ্র্ভাগ্য একজন করে ভেটেরিনারিয়ান নিয়ে একটা উপজেলা চলছে। আজকে আমরা যদি মানব সম্পদ নিরাপদ রাখতে চাই, আমরা যদি আমাদের প্রানিজ আমিষের উৎস প্রাণিসমূহ নিরাপদ রাখতে চাই, আমরা যদি আমাদের উৎপাদিত আমিষ বিদেশে রপ্তানি করতে চাই, আমরা যদি মানব স্বাস্থ্যের পেছনে খরচকৃ্ত হাজার হাজার কোটি টাকা রক্ষা করতে চাই, আমরা যদি বাংলাদেশের মানুষকে নিরাপদ রাখতে চাই তাহলে প্রাণিসম্পদের দক্ষ জনবল বাড়ানোর কোন বিকল্প নাই,বিকল্প না,বিকল্প নাই।

আর একজন ভেটেরিনারি সার্জন দিয়ে একটি উপজেলার লক্ষ লক্ষ প্রাণির স্বাস্থ্য দেখভাল করা সম্ভব নয়। আর প্রাণি মানে গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি, পাখী, ভেড়া, মহিষ, বন্য প্রাণি এরা কখনও ভেটেরিনারিয়ানের কাছে এসে স্বাস্থ্য সেবা নেয় না, ভেটেরিনারিয়ানদেরকেই প্রাণির কাছে যেতে হয়, তাহলে অনুমান করুন একজন ভেটেরিনারিয়ান যদি উপজেলার এক প্রান্তে একটা উন্নত গাভীর বাচ্চা প্রসবের জন্য চলে যায়, তখন উপজেলার অন্য এলাকার প্রাণির সমস্যা কে দেখবে। ডাক্তার আসার আগেই প্রাণিটি পটল তুলতে বাধ্য। এই ভাবে আমাদের প্রাণিসম্পদ ২ দিক দিয়েই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

আমরা যারা প্রতিদিন দুধ, ডিম, মাংস খাই তারা কি কখনও একবার ভেবে দেখেছি এটা যারা উৎপাদন করেন, যারা এর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরলস দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন, তারা কি কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন? ভাবিতো নাইই, উলটো ভাবি গরু, ছাগল, মুরগি পালতে আবার ডাক্তার লাগে নাকি? মজার বিষয় আমাদের বন্ধুবর মানুষের ডাক্তার যারা আছেন তারাও বলে থাকেন এসব পালতে আবার ডাক্তার লাগে? আমরা যখন বিভিন্ন উন্নত দেশের কথা বলতাম তখন তারা হেসে উড়িয়ে দিতো।

আজকে শুনি, তারা বলতে শুরু করেছেন, মানুষের রোগ বালাই আসছে প্রাণিসম্পদ থেকে, কাজেই এখন তাদের ডাক্তারীতে আর ফল আসছেনা। এখন দোষ প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের। আজকে কেন এসব বলছেন? এর আগেতো আমাদের মানুষই ভাবতেন না? মনে রাখবেন এইভাবে চলতে থাকলে মানুষ আর আপনাদের কাছে যাবে না। কারন মানুষ এখন অধিক সচেতন, তারা যাতে রোগে আক্রান্ত না হন সেই পরামর্শ চান। তারা আর ঔষধ খেয়ে বেঁচে থাকতে চান না। তারা এখন নিরাপদ খাদ্য চান। কাজেই আমাদের সকলের উচিত সবার আগে আমার খাদ্য নিরাপত্তা। আর আমরা যদি নিরাপদ প্রাণিজ খাদ্য নিশ্চিৎ করতে পারি তাহলে মানব স্বাস্থ্য এমনিতেই ঠিক থাকবে। পৃথিবীর সকল উন্নত দেশ বলতে তাদের প্রাণিসম্পদ উন্নত। উন্নত দেশে তাই ভেটরাই সর্বাগ্রে। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়, সচিব মহোদয় ও অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়দের অনুরোধ করছি, অবশ্যই অবশ্যই আপনাদের এই বিষয়টা প্রধান মন্ত্রীর নজরে আনতে হবে এবং তাকে ভালভাবে পরিস্কার করে বলতে হবে। তা নাহলে প্রধান মন্ত্রীই একদিন আপনাদের এইজন্য দায়ী করবেন।

আমাদের প্রাণিজ আমিষ নিরাপদ রাখতে আমার নিজস্ব কিছু মতামত তুলে ধরছি- আশা করছি বিজ্ঞজনেরা এই বিষয়টি বিশেষভাবে নজর দেবেন-
১। প্রাণিসম্পদের দক্ষ জনবল বাড়াতে প্রস্তাবিত জনবল কাঠামো কোন প্রকার কাটছাট ছাড়াই বাস্তবায়ন করতে হবে।
২। আগামী ৫ বছরের মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে ভেটেরিনারি সার্জন নিয়োগ দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিতে হবে।
৩। উপজেলা পর্যায়ে প্রাণি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা এখনি করতে হবে।
৪। ভেটেরিনারিয়ানদের কাজকে গতিশীল করতে পাশাপাশি প্যারাভেট নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫। শুধুমাত্র রেজিঃ ভেটেরিনারিয়ানের ব্যবস্থাপত্র অনু্যায়ী সকল প্রাণির চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
৬। প্রতিটি উপজেলায় প্রাণি খাদ্যের ও ঔষুধের মান নির্নয়ে সরকারী ল্যাব থাকতে হবে।
৭। ইমারজিং ডিজিজ মোকাবেলায় আমদানী নির্ভরতা কমিয়ে লোকাল আইসোলেট থেকে ভ্যাকসিন উৎপাদনে বেসরকারী পর্যায়ে আধুনিক মানের ল্যাব স্থাপনে সরকারের সহায়তা করতে হবে। তা নাহলে আমদানী করা ভ্যাকসিন দিয়ে শুধু অর্থের অপচয় আর খামার ধ্বংস ছাড়া আর কোন লাভ হবে না এবং রোগ নিয়ন্ত্রনে ও নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে বাধা গ্রস্ত হবে।
৮। প্রতিটি শহর, উপশহরে যেখানে প্রাণি জবাই করা হয় সেখানে অবশ্যই একজন ভেটেরিনারিয়ান নিয়োগ দিতে হবে।
৯। ঔষধ প্রশাসনে হিউম্যান হেলথ্ এর মতো ভেটেরিনারি ড্রাগ নিয়ন্ত্রন ও মনিটর এর ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। আমার জানামতে ঔষধ প্রশাসনে ভেটেরিনারি ড্রাগের জন্য একটা সেল আছে কিন্তু আমাদের অধিদপ্তর এখনও সেখানে কোন ভেট নিয়োগ দিতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
১০। বিভাগীয় পর্যায়ে সরকারীভাবে আধুনিক মানের ল্যাব থাকতে হবে যেখান থেকে সরকারী, বেসরকারী খামার মালিক ও ভেটেরিনারিয়ানরা সঠিক রোগ নির্নয়ে সেবা নিতে পারে।
১১। প্রতিটা বন্দরে অবশ্যই সরকারীভাবে ল্যাব এবং এখানে ২/৩ জন করে ভেট থাকতে হবে যাতে করে আমদানিকৃত ভেটেরিনারি ঔষুধ ও খাদ্য উপকরন পরীক্ষা করে দ্রুত পন্য ছাড় করা যায়।
১২। দেশে বিদ্যমান ডিভিএম ও পশুপালন ডিগ্রী অবলুপ্ত করে সকল সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে একই রকম কোর্স কারিকুলাম ও ডিগ্রী চালুকরন করতে হবে। যেন মাঠ পর্যায়ে কোন সমস্যা না হয়।
১৩। ভেটেরিনারি কাউন্সিলের বিদ্যমান যে জনবল রয়েছে তা আরও বাড়িয়ে বিভিসির সকল নীতিমালা প্রয়োগ করতে হবে। ৫ বছর পর পর ভেটেরিনারিয়ানদের ক্যাটাগরি করতে পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা দরকার।
১৪। প্রাণিজ আমিষ নিরাপদ রাখতে প্রাণিসম্পদ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা যেমন আহকাব, বিভিএ, ফিয়াব, বিএবি, বিপিআইএ, টিভিই সহ সকল সংস্থাকে সমন্বয় করে এবং প্রান্তিক পর্যায়ে এন্টারপ্রেনারদের অংশগ্রহনের সু্যোগ রেখে একটি ভারসাম্যপূর্ন একটা বোর্ড বা কমিটি প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের নেতৃ্ত্বে গঠন করা যারা এই সেক্টরের উৎপাদিত পন্য চাহিদার ভিত্তিতে উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।
১৫। প্রাণিসম্পদের উৎপাদিত পণ্য মৎস্য সহ যাতে বিদেশে নিরাপদে রপ্তানি করা যায় সেই ধরনের সু্যোগ সুবিধা ও বাজার তৈরীতে সরকারী সকল সহযোগীতার বিধান রাখতে হবে।
১৬। বেসরকারী সংস্থাগুলোকে প্রাণিসম্পদের উৎপাদিত পন্য ভোক্তা পর্যায়ে সরাসরি বিক্রয়ের ও তাদের কে বেশি বেশি প্রচারের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে। সকল প্রকার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকে কাজে লাগাতে হবে।

বিজ্ঞজনদের আরও মূল্যবান মতামত থাকতে পারে সেগুলিও এর সাথে সমন্বয় করে বাস্তবায়ন করা গেলে আমরা অবশ্যই উন্নত বিশ্বের মতো মাথা উচু করে বলতে পারবো, আমরাও পারি। সকল ভেটেরিনারিয়ান এবং সেক্টরের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমার শুভ কামনা রইল।
সুন্দর সোনার বাংলাদেশের প্রত্যাশায়।

ডাঃ মোহাম্মদ সরোয়ার জাহান
কার্যকরি সদস্য- আহকাব
ব্যবস্থাপনা পরিচালক- সেইফ বায়ো প্রোডাক্টস্ লিঃ
+৮৮০১৭১১০৫৪৭২৮
+৮৮০১৯০৪৪৮৮৬০০

World Veterinary Day 2018 Celebration at BAU

Today (April 28, 2018, Saturday), world veterinary day 2018 has been celebrated at Bangladesh Agricultural University (BAU), Mymensingh. This year, the event with the theme “The role of veterinary profession in sustainable development to improve livelihoods, food security and safety” was jointly organized by the Faculty of Veterinary Science (FVS), BAU, and the Bangladesh Veterinary Association (BVA) – Mymensingh Division. A colorful rally was arranged that was moved around the BAU campus. The program was chaired by Prof. Dr. Prya Mohan Das, Dean, FVS, BAU. Prof. Dr. Emdadul Haque Chowdhury and Dr. Md. Nurul Islam were present as the special guests.

Dr. SD Chowdhury, Honorable Students Advisor, BAU was present in the event as the chief guest. The key note on the theme was presented by Prof. Dr. KHM Nazmul Hussain Nazir, Department of Microbiology and Hygiene, FVS, BAU. The speakers emphasized on different aspects of food security and safety issues in Bangladesh and crucial roles of veterinarians in improvement of livelihoods.

More than 350 participants including university teachers, government officials, field veterinarians and veterinary students were attended the festive event.

Registration for WVPA-BB symposium

World Veterinary Poultry Association-Bangladesh Branch is going to organize a symposium with the theme of Avian Influenza Vaccination and Surveillance. The Symposium will take place on 12 May 2018, Saturday, at Dhaka Regency Hotel, Dhaka where in addition to plenary lectures by national and international speakers, there will be poster presentation on avian influenza.

To participate in the symposium everyone requires to do registration. The WVPA-BB members are entitled to free registration, while non-member poultry Veterinarians will have to pay Tk. 1000 as registration fee.

Participants  : Around 200 online registered interested participants can be accommodated at first come first service basis

Deadline        : 06 May 2018

Registration  : To participate in the symposium everyone needs to do registration in the link below:

http://wvpa-bb.org/seminar/