বাকৃবিতে ডিভিএম ৫৫তম ব্যাচের ইন্টার্নশীপ উদ্বোধন

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের ডিভিএম ৫৫তম ব্যাচের ১৮তম ইন্টার্নশীপের উদ্বোধন করা হয়েছে। চার মাসব্যাপী ওই ইন্টার্নশীপ প্রোগ্রামে অনুষদের ১৭৬ জন শিক্ষার্থী নিজ নিজ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ইন্টার্নশীপ প্রোগামে অংশ নিবেন।

মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদীয় মেডিসিন কনফারেন্স হলে ওই ইন্টার্নশীপের উদ্বোধন করা হয়।

ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. নূরুল হক, বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. জয়নাল আবেদীন, বাউরেসের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এগ্রো ভেট ডিভিশনের গ্রুপ প্রোডাক্ট ম্যানেজার মো. রুবাইয়াত নুরুল হাসান।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ১৮তম ডিভিএম ইন্টার্নশীপের উদ্বোধন অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। ১৮তম ডিভিএম ইন্টার্নশীপের উপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. আমিনুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান বলেন, ভেটেরিনারি পেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেবাধর্মী। ভেটেরিনারিয়ানগণ সফলভাবে ইন্টার্নশীপ সম্পন্ন করে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা লাভ করবে। এই অর্জিত জ্ঞান দেশের প্রাণি সম্পদ উন্নয়নে ছড়িয়ে দিতে হবে।

সিকৃবিতে ডিভিএম শিক্ষার্থীদের মধ্যে সার্জিক্যাল কিটবক্স বিতরণ

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সার্জিকাল কিটবক্স বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদীয় সম্মেলন কক্ষে এই কিটবক্স বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কিটবক্স বিতরণ করেন।

সার্জারি ও থেরিওজেনোলজি বিভাগের উদ্যোগে কিটবক্স বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. নাসরিন সুলতানা লাকী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এম. রাশেদ হাসনাত। বিভাগীয় শিক্ষকবৃন্দসহ পিএমসি ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। ভাইস চ্যান্সেলর ড. মতিয়ার বলেন, করোনা মহামারীর সময় সারা বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা থমকে থাকলেও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭২জন শিক্ষার্থী ৩২টি উপজেলায় গ্রামে গ্রামে ঘুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাণী চিকিৎসা সেবা দিয়ে এসেছে।

এছাড়া সিকৃবির শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অনলাইনেও একাডেমিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য প্রাণি চিকিৎসক হবার দ্বারপ্রান্তে থাকা শিক্ষার্থীদের আজ সার্জিকাল কিটবক্স বিতরণ করা হলো।

ব্যবহারিক পাঠদান ও গবেষণার জন্য রয়েল বেঙ্গল টাইগার পেল খুকৃবি

সুন্দরবনের পাহারাদার ও বাংলাদেশের জাতীয় প্রাণি রয়েল বেঙ্গল টাইগার দিয়েই গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ২০ জানুয়ারি খুলনার জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্টস্থ বনবিলাস চিড়িয়াখানায় বার্ধক্য জনিত কারণে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার মারা যায়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ মৃত বাঘটিকে মাটি চাপা না দিয়ে ভেটেরিনারি শিক্ষায় সহায়তার ইচ্ছা পোষণ করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এমন ইচ্ছার খবরটি খুলনা প্রাণিসম্পদ অফিসের মাধ্যমে জানতে পারে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি) কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি জেনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ভাবে খুকৃবি’র ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: শহীদুর রহমান খানকে জানানো হয় ।

এদিকে গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মৃত বাঘটি পরিদর্শন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের তৎক্ষনাৎ নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি মেডিকেল টিম চিড়িয়াখানায় মৃত বাঘটিকে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকৃত খুকৃবি’র মেডিকেল টিমে উপস্থিত ছিলেন খুকৃবি’র এনিম্যাল নিউট্রিশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো: তসলিম হোসেন, ফিজিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এম এ হান্নান এবং বিভিন্ন বিভাগের প্রভাষকবৃন্দের মধ্যে ডাঃ পাপিয়া খাতুন, ডাঃ জান্নাত হোসেন, ডাঃ স্বরূপ কুমার কুন্ডু, ডাঃ শাহাবুদ্দীন আহমেদ, ডাঃ মোঃ শহীদুল্লাহ্, ডাঃ শারমিন জামান, নাজমুল হক অপু সহ ছাত্র-ছাএীবৃন্দ।

পরিদর্শন শেষে জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে বাঘটিকে খুকৃবির ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে বাঘটি দৌলতপুরে অবস্থিত খুকৃবির অস্থায়ী ক্যাম্পাসে আনা হয় এবং বাঘটির চামড়া, কংকাল, ও অভ্যন্তরীন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সমূহকে সংরক্ষণ করা হয়। যা ভবিষ্যতে ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের ব্যবহারিক পাঠদানে ও গবেষণার কাজে ব্যবহার করা হবে।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের শিক্ষার্থী মাহিরুল হল শিলং ও পিয়াল রায় বলেন, দেশের নবীনতম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা ও গবেষণার কাজে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া সত্যিই আনন্দদায়ক ও গর্বের। এই ধরণের অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রহমান খানকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এম এ হান্নান বলেন, ভেটেরিনারি শিক্ষা ও গবেষণায় খুকৃবিতে নতুন একটি দ্বার উন্মোচনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: শহীদুর রহমান খান স্যার এর প্রতি শিক্ষকরা চিরকৃতজ্ঞ। এই ধরনের বিভিন্ন শিক্ষামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে খুকৃবি উচ্চতর কৃষি শিক্ষার সকল স্তরে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে শিক্ষা ও গবেষণায় এই ধরনের নতুন নতুন ইতিহাসের স্বাক্ষী হবে খুকৃবি বলেও বিশ্বাস করেন তিনি। এছাড়া খুকৃবির এনাটমি ও হিস্টোলজি বিভাগের প্রস্তাবিত “এনাটমি মিউজিয়াম” বাস্তবায়িত হলে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের পুরো দেহের কঙ্কালটিকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মোচন করা হবে। অধিকন্তু, মৃত বাঘটি হস্তান্তরের জন্য বন বিলাস চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: শহীদুর রহমান খান বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ি দক্ষিণাঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দিন দিন শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন নতুন ইতিহাসের স্বাক্ষী হবে। মৃত বাঘটির কংকাল ও অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রতঙ্গ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার কাজে ব্যবহার করা হবে। খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে কৃষি শিক্ষায় দক্ষিণ এশিয়ার একটি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিডিভেটনেট’র উদ্যোগে ছাগলের ফ্রি পি.পি.আর. রোগের টিকা প্রদান

(অক্টোবর ৩১, ২০২০) নেটওয়ার্ক ফর দি ভেটেরিনারিয়ানস অব বাংলাদেশ (বিডিভেটনেট) এর উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় গত দু’দিনে পৃথক দু’গ্রামে ছাগলের জন্য বিনামূল্যে পি.পি.আর রোগের টিকা প্রদান করা হয়েছে। প্রায় চারশত ছাগলে এ টিকা প্রদান করা হয়। ছাগলে টিকা প্রদানের ব্যাপারে এলাকার জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দিপনা লক্ষ্য করা গেছে। টিকা দেওয়ার পাশাপাশি ছাগলের মাঝে বিরাজমান বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে সার্ভে করা হয় এবং অসুস্থ্য ছাগলের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করা হয়। জনগনের সাথে আলোচনা করে জানা যায়, প্রতি বছর পি.পি.আর. রোগের টিকা দেওয়ার ফলে ছাগলের মারা যাওয়ার হার দৃশ্যমানভাবে কমে গেছে। ফলে এলাকায় ছাগলের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। পি.পি.আর রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে বলে সার্ভে রিপোর্টে উঠে এসেছে।

টিকা প্রদান ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহন করেন, বিডিভেটনেট’র বর্তমান সভাপতি প্রফেসর ড. একেএম মোস্তফা আনোয়ার, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. কেএইচএম নাজমুল হুসাইন নাজির, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। আরো অংশগ্রহন করেণ মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এর সম্মানিত শিক্ষক প্রফেসর ড. মাহবুবুল প্রতিক সিদ্দিক ও ড. জায়েদুল হাসান। উপস্থিত ছিলেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগ’র সম্মানিত শিক্ষক ড. মো. আমিনুল ইসলাম, এনাটমি ও হিস্টোলজি বিভাগ’র সম্মানিত শিক্ষক ড. নাসরিন সুলতানা, এবং ডা. সাজেদা সুলতানা, শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদালয়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদে পিএইচডি, এমএস ও ডিভিএম এ অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীসহ অন্যান্যরা এ ক্যাম্পেইনে স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করেণ।

টিকা প্রদান সম্পর্কে জানতে চাইলে- বিডিভেটনেট’র সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. কেএইচএম নাজমুল হুসাইন নাজির জানান, বাংলাদেশের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিডিভেটনেট প্রতি বছর ছাগলে টিকা প্রদান করে থাকে। আগামীতে গরুতেও টিকা দেওয়ার ব্যাপারে পরিকল্পনা রয়েছে।

টিকা প্রদান কাজে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরসহ টিকা প্রদান কাজে জড়িত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।

ডা. পুনম এর প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৮ অর্জন

ডা. সাদিয়া আফরিন পুনম ২০১৭ সালের ডক্টর অফ ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) পরীক্ষায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ থেকে সর্বোচ্চ জিপিএসহ (৪.০০ এর মধ্যে ৩.৯০৩) প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করায় প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ২০১৮ প্রাপ্ত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে বাকৃবির মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগে এমএস কোর্সে অধ্যায়নরত।

ডা. পুনম কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানাধীন এন. সহিলা গ্রামের জনাব মজিবুর রহমান ও নাসরিন সুলতানার এক কন্যা ও দুই পুত্রের মধ্যে সবচেয়ে বড়। আদর্শ শিক্ষক ও বিজ্ঞানী হয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়নে অবদান রাখার ইচ্ছা পোষণ করেন ডা. পুনম। পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়ার দিকে বিশেষ নজর দেওয়ার প্রতি ছাত্রছাত্রীদেরকে আহবান জানান তিনি।

বিডিভেটনেট এর পক্ষ থেকে ডা. পুনমকে শুভচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আমরা তার সর্বাাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি।

ডাঃ সেলিম কায়সার (তুহিন) এর ইন্তেকাল

আজ (২০ নভেম্বর, বুধবার) সকাল আনুমানিক সাড়ে নয় ঘটিকায় রাজধানীস্থ ল্যাবএইড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন ডাঃ সেলিম কায়সার (তুহিন)। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। মৃত্যুর কারণ হিসেবে ম্যাসিভ স্ট্রোক বলে জানা গেছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪১ বছর। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের ১৯৯৬-৯৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। সদা হাস্যজ্বল ডাঃ তুহিন বাংলাদেশে কৃষিবিদদের মাঝে বিশেষ করে ভেটেরিনারিয়ানদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত, কর্মঠ, দায়িত্ববান ও জনপ্রিয় মুখ ছিলেন। তিনি পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস্ লিমিটেডের এগ্রোভেট ডিভিশনে এসিস্ট্যান্ট সেলস্ ম্যানেজার হিসেবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। ঢাকা ও গ্রামের বাড়ী গাইবান্ধা জেলায় একাধিক জানাযা শেষে গাইবান্ধায় দাফন করা হবে বলে জানা গেছে। নেটওয়ার্ক ফর দি ভেটেনিনারিয়ানস অফ বাংলাদেশ (বিডিভেটনেট) এর পক্ষ থেকে তাঁর আত্বার মাগফেরাত কামনা করছি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

বিদেশি শিক্ষার্থি হারানি জানাকি রামানের শোকসভা অনুষ্ঠিত।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহ এর শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হল হারানি জানাকি রামানের শোকসভা।শোকসভাটি শুরু হয় দূপুর ২টা ৩০ মিনিটে। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. লুৎফুল হাসান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন খান, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক সোলেমান আলী ফকির সহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দ।

উল্লেখ্য, ভেটেরিনারি অনুষদে অধ্যয়নরত ডিভিএম লেভেল-২, সেমিস্টার-২ (জুলাই-ডিসেম্বর/২০১৯) শ্রেণীর মালয়েশিয়ান ছাত্রী Harranii Janaky Raman শ্বাস-কষ্ট জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় গত ৯.১১.২০১৯ তারিখ শনিবার রাত ১.১৫ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেন।

Free PPR Vaccination for Goats in Mymensingh

Pesti des Petits Ruminats (PPR), a fatal viral disease of small ruminants (particularly goats), is a major problem of Bangladeshi goat farmers which could be put to an end through regular vaccination against the causal agent i.e., PPR virus. Three years back, a baseline survey on PPR outbreak of goats in the South Char Kalibari near Brahmaputtra river was conducted by Pravin Mishra, Md. Muket Mahmud and Md. Ashif Iqbal- the three Doctor of Veterinary Medicine (DVM) students of Bangladesh Agricultural University (BAU) aiming at establishing a PPR free village. Network for the Veterinarians of Bangladesh (BDvetNET; www.bdvetnet.org) gave necessary technical and financial supports for this study. After regular vaccination campaign (six months interval), the area became almost PPR-free. In each vaccination campaign, the DVM students studying at BAU actively participated and learned a lot about community setting of humans and their animals.

The most recent PPR vaccination campaign was done on November 01, 2019 (Friday). More than three hundred goats were vaccinated during this campaign. As feedback from the villagers, it was known that no vaccinated goats were died so far after starting the campaign, indicating that the vaccine prepared by the Livestock Research Institute (LRI) is working perfectly against the prevailing PPR virus. The secretary of BDvetNET, Prof. Dr. KHM Nazmul Hussain Nazir, Department of Microbiology and Hygiene, BAU led the campaign, and talked with the community people about the effectiveness of the ongoing vaccination program. The team observed that the goat population in the village has increased and the people of the village became motivated for goat rearing and vaccination of their animals.

It is a good indication that the village has become almost PPR-free, however, seromonitoring and observation of protective titer of antibodies throughout the year against PPR are necessary – added Dr. Nazir. He also urged the government to take necessary steps for ensuring mass vaccination throughout the country using effective PPR vaccine, which may help in eradication of PPR in goats in near future.

CEVETBD 2019 at Cox’s Bazar on Nov 16-18

3rd Conference of Continuing Education for the Veterinarians of Bangladesh

16 – 18 November, 2019

The CEVET Conference– a continuing education programme for veterinarians and animal scientists of Bangladesh for advancement of their knowledge. The Department of Livestock Services (DLS), National Veterinary Dean Council (NVDC), Bangladesh Veterinary Council (BVC) and Bangladesh Veterinary Association (BVA) jointly organize the CEVET conference. The FAO ECTAD provides technical assistance.The conference will have parallel sessions on poultry health and production, dairy health and production, companion animal medicine & surgery, zoo animal and wildlife health and management and veterinary epidemiology & public health.

Date & Venue

The 3rd CEVET conference will be held during 16 – 18 November 2019 at the Royal Tulip Sea Pearl Resort, Cox’s Bazar, Bangladesh

Registration

Registration fee is Tk. 4,000. Registration is mandatory for participation. Registration will be on first come first serve basis. For detailed instructions and on-line registration please click here

Registered participants are entitled to

  • Full access to all conference sessions – over 12 hours of CE available
  • Three days and two nights all-expense paid accommodation in a 5 star hotel in Cox’s Bazar
  • All meals, snacks and free flow tea and coffee throughout the conference
  • Conference proceedings and souvenirs
  • Complementary pick & drop services at the bus stop and airport in Cox’s Bazar

Post conference workshop

Veterinary Pedagogy Forum will organize a post-conference workshop on Pedagogy for Disease Control Curriculum on 19 November 2019, Tuesday, from 8:00 am to 2:00 pm. Teachers of veterinary schools may register for this workshop without any additional fee.

Call for success stories

There will be limited slots for presentation of success stories. If you feel that you have made a significant contribution to professional advancement or innovation that you would like to share with fellow colleagues, you may submit your success story within 1000 words by e-mail to Mohammad.Islam@fao.org by 25 October 2019. The success story could focus on clinical case study, novel or newly adopted clinical or surgical intervention, applied research, community service model, etc. The selected champions will have the opportunity of presenting their success story using PowerPoint.the Veterinarians of Bangladesh”the opportunity for the veterinarians and animal scientists of Bangladesh to advance their knowledge through continuing professional development with world-leading experts in a range of fields relevant to the veterinary profession of Bangladesh.

Detail: Click HERE

ময়মনসিংহে বিশ্ব ডিম দিবস ২০১৯ উৎযাপিত

সুস্থ্য মেধাবি জাতি চাই, প্রতিদিনই ডিম খাই – এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার মাধ্যমে আজ ময়মনসিংহে পালিত হলো বিশ্ব ডিম দিবস ২০১৯। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) এর যৌথ আয়োজনে প্রতি বছরের ন্যায় এবারো পালিত হলো দিবসটি। সকাল দশ ঘটিকায় জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এলজিইডি ভবন মিলনায়তে শেষ হয়। আলোচনা সভায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মোঃ মকবুল হোসেন, প্যাথলজি বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। সভায় বক্তারা প্রতিদিন ডিম খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা ও ডিমের বিভিন্ন উপকারি দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সারাবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার দিবসটি পালিত হয়। ১৯৯৬ সালে অষ্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ব ডিম কমিশন যা প্রতি বছর বিশ্ব ডিম দিবস পালনে বিশ্বব্যাপি নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। মূলত সারাবিশ্বে ডিম খাওয়া সম্পর্কে জন সচেতনতা সৃষ্টিই এই কমিশনের মূল লক্ষ্য।