Posts

বাকৃবিতে ডিভিএম ৫৫তম ব্যাচের ইন্টার্নশীপ উদ্বোধন

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের ডিভিএম ৫৫তম ব্যাচের ১৮তম ইন্টার্নশীপের উদ্বোধন করা হয়েছে। চার মাসব্যাপী ওই ইন্টার্নশীপ প্রোগ্রামে অনুষদের ১৭৬ জন শিক্ষার্থী নিজ নিজ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ইন্টার্নশীপ প্রোগামে অংশ নিবেন।

মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদীয় মেডিসিন কনফারেন্স হলে ওই ইন্টার্নশীপের উদ্বোধন করা হয়।

ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. নূরুল হক, বাকৃবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. জয়নাল আবেদীন, বাউরেসের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এগ্রো ভেট ডিভিশনের গ্রুপ প্রোডাক্ট ম্যানেজার মো. রুবাইয়াত নুরুল হাসান।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ১৮তম ডিভিএম ইন্টার্নশীপের উদ্বোধন অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। ১৮তম ডিভিএম ইন্টার্নশীপের উপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. মো. আমিনুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান বলেন, ভেটেরিনারি পেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেবাধর্মী। ভেটেরিনারিয়ানগণ সফলভাবে ইন্টার্নশীপ সম্পন্ন করে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা লাভ করবে। এই অর্জিত জ্ঞান দেশের প্রাণি সম্পদ উন্নয়নে ছড়িয়ে দিতে হবে।

সিকৃবিতে ডিভিএম শিক্ষার্থীদের মধ্যে সার্জিক্যাল কিটবক্স বিতরণ

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সার্জিকাল কিটবক্স বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদীয় সম্মেলন কক্ষে এই কিটবক্স বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কিটবক্স বিতরণ করেন।

সার্জারি ও থেরিওজেনোলজি বিভাগের উদ্যোগে কিটবক্স বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. নাসরিন সুলতানা লাকী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এম. রাশেদ হাসনাত। বিভাগীয় শিক্ষকবৃন্দসহ পিএমসি ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন। ভাইস চ্যান্সেলর ড. মতিয়ার বলেন, করোনা মহামারীর সময় সারা বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা থমকে থাকলেও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭২জন শিক্ষার্থী ৩২টি উপজেলায় গ্রামে গ্রামে ঘুরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রাণী চিকিৎসা সেবা দিয়ে এসেছে।

এছাড়া সিকৃবির শিক্ষকদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অনলাইনেও একাডেমিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য প্রাণি চিকিৎসক হবার দ্বারপ্রান্তে থাকা শিক্ষার্থীদের আজ সার্জিকাল কিটবক্স বিতরণ করা হলো।

ব্যবহারিক পাঠদান ও গবেষণার জন্য রয়েল বেঙ্গল টাইগার পেল খুকৃবি

সুন্দরবনের পাহারাদার ও বাংলাদেশের জাতীয় প্রাণি রয়েল বেঙ্গল টাইগার দিয়েই গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত ২০ জানুয়ারি খুলনার জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্টস্থ বনবিলাস চিড়িয়াখানায় বার্ধক্য জনিত কারণে একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার মারা যায়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ মৃত বাঘটিকে মাটি চাপা না দিয়ে ভেটেরিনারি শিক্ষায় সহায়তার ইচ্ছা পোষণ করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এমন ইচ্ছার খবরটি খুলনা প্রাণিসম্পদ অফিসের মাধ্যমে জানতে পারে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি) কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি জেনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ভাবে খুকৃবি’র ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: শহীদুর রহমান খানকে জানানো হয় ।

এদিকে গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মৃত বাঘটি পরিদর্শন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের তৎক্ষনাৎ নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একটি মেডিকেল টিম চিড়িয়াখানায় মৃত বাঘটিকে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকৃত খুকৃবি’র মেডিকেল টিমে উপস্থিত ছিলেন খুকৃবি’র এনিম্যাল নিউট্রিশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো: তসলিম হোসেন, ফিজিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এম এ হান্নান এবং বিভিন্ন বিভাগের প্রভাষকবৃন্দের মধ্যে ডাঃ পাপিয়া খাতুন, ডাঃ জান্নাত হোসেন, ডাঃ স্বরূপ কুমার কুন্ডু, ডাঃ শাহাবুদ্দীন আহমেদ, ডাঃ মোঃ শহীদুল্লাহ্, ডাঃ শারমিন জামান, নাজমুল হক অপু সহ ছাত্র-ছাএীবৃন্দ।

পরিদর্শন শেষে জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে বাঘটিকে খুকৃবির ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে বাঘটি দৌলতপুরে অবস্থিত খুকৃবির অস্থায়ী ক্যাম্পাসে আনা হয় এবং বাঘটির চামড়া, কংকাল, ও অভ্যন্তরীন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সমূহকে সংরক্ষণ করা হয়। যা ভবিষ্যতে ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের ব্যবহারিক পাঠদানে ও গবেষণার কাজে ব্যবহার করা হবে।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিকেল সায়েন্সেস অনুষদের শিক্ষার্থী মাহিরুল হল শিলং ও পিয়াল রায় বলেন, দেশের নবীনতম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা ও গবেষণার কাজে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া সত্যিই আনন্দদায়ক ও গর্বের। এই ধরণের অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রহমান খানকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এম এ হান্নান বলেন, ভেটেরিনারি শিক্ষা ও গবেষণায় খুকৃবিতে নতুন একটি দ্বার উন্মোচনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: শহীদুর রহমান খান স্যার এর প্রতি শিক্ষকরা চিরকৃতজ্ঞ। এই ধরনের বিভিন্ন শিক্ষামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে খুকৃবি উচ্চতর কৃষি শিক্ষার সকল স্তরে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে শিক্ষা ও গবেষণায় এই ধরনের নতুন নতুন ইতিহাসের স্বাক্ষী হবে খুকৃবি বলেও বিশ্বাস করেন তিনি। এছাড়া খুকৃবির এনাটমি ও হিস্টোলজি বিভাগের প্রস্তাবিত “এনাটমি মিউজিয়াম” বাস্তবায়িত হলে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের পুরো দেহের কঙ্কালটিকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মোচন করা হবে। অধিকন্তু, মৃত বাঘটি হস্তান্তরের জন্য বন বিলাস চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: শহীদুর রহমান খান বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ি দক্ষিণাঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় দিন দিন শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন নতুন ইতিহাসের স্বাক্ষী হবে। মৃত বাঘটির কংকাল ও অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রতঙ্গ বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার কাজে ব্যবহার করা হবে। খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে কৃষি শিক্ষায় দক্ষিণ এশিয়ার একটি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাইম্যাগো ইন্সটিটিউশন র‍্যাঙ্কিং (SCImago Institutions Rankings)-এ বাংলাদেশের ১৫ বিশ্ববিদ্যালয়

সাইম্যাগো ল্যাব একটি প্রযুক্তি ভিত্তিক সংস্থা যা বৈজ্ঞানিক দৃশ্যমানতা এবং অনলাইন সম্মাননা উন্নত করার জন্য উদ্ভাবনী সমাধানগুলি সরবরাহ করে। সাইম্যাগো গবেষণা গ্রুপ (SCImago Research Group) স্পেন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান যেটি স্প্যানিশ ন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিল (সিএসআইসি), গ্রানাডা বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রিদের চার্লস তৃতীয় ইউনিভার্সিটি, আলকলা বিশ্ববিদ্যালয়, এক্সট্রিমাদুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্পেনের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সদস্য দ্বারা গঠিত এবং পরিচালিত।

সাইম্যাগো ল্যাব বিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়সহ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের র‍্যাঙ্কিং করে থাকে। এদেরকে ব্যক্তিগত ভাবে কোন তথ্য উপাত্ত দিতে হয় না। উনারা নিজেরাই Scopus ডাটাবেস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রকাশিত গবেশনাপত্রের সংখ্যা, আন্তর্জাতিক কোলাবোরেসন, গবেষণার ইমপ্যাক্ট এবং প্রকাশের হারের উপর ভিত্ত করে (Research-50%, Innovation 30%, এবং  Societal 20%) বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে র‍্যাঙ্কিং করে।  ২০১৯ সালে সারা বিশ্বের উচ্চ শিক্ষার সাথে জড়িত ৩৪৭১ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিং করে (র‍্যাঙ্কিং স্কোর ১ থেকে ৬৮২ নং পর্যন্ত, কারণ একই স্কোরে অনেক সময় অনেক কয়টি বিশ্ববিদ্যালয় পরে যায়)। এই র‍্যাঙ্কিং এ সরকারি বেসরকারি মিলে বাংলাদেশের ১৫ টি, ভারতের ২১২ টি, পাকিস্তানের ৩৮টি এবং নেপালের ২ টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংএ বাংলাদেশের সব চেয়ে প্রথমে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  সিরিয়াল ১৭৬৫ (৫৪০ তম, ১-৬৮২ তম এর মধ্যে), এর পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরিয়াল ২০১২ (৫৫৩ তম, ১-৬৮২ তম এর মধ্যে) এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরিয়াল ২২২৯ (৫৬৫ তম, ১-৬৮২ তম এর মধ্যে)। বাকি গুলোর মধ্যে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (২৩১২, ৫৬৯ তম), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (২৩৬৪, ৫৭২ তম), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (২৩৯৯, ৫৭৪ তম), ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় (২৬০৭, ৫৮৫ তম), চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (২৬৩৭, ৫৮৭ তম), বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (২৬৬৪, ৫৮৮ তম), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (২৯৬০, ৬০৭ তম), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (২৯৯০, ৬১০ তম), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (৩০১৭, ৬১২ তম), নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় (৩০৯৩, ৬১৭ তম), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (৩১৭৮, ৬২৩ তম), মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি (৩৩৯৩, ৬৪৭ তম)।

এই র‍্যাঙ্কিং এ এশিয়ার ১১৬৩ টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে যার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৫৪১ (২৬৭ তম, এশিয়ার ১-৩৯৩ তম এর মধ্যে), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৬১৩ (২৮০ তম), এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৬৮৭ (২৯২ তম)।

তথ্য সুত্রঃ

https://en.wikipedia.org/wiki/College_and_university_rankings#SCImago_Institutions_Rankings

https://www.scopus.com

http://www.scimagolab.com/

https://www.scimagoir.com/rankings.php?sector=Higher%20educ.&country=all

লেখক:

ডঃ মোঃ গোলজার হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ, Email: mghossain05@gmail.com

বর্তমানে: পোষ্ট ডক্টরাল গবেষক, ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান